Unpacking the care society: Caring for people and the planet

The impacts of crises are not gender-neutral. Protracted conflicts and the accelerating impacts of climate change have increased care demands on women and girls. When these demands grow, and public systems are unable to cope with increased pressure, women and girls absorb the bulk of care work.

Care work, a vital public good, underpins well-being and a thriving, sustainable economy. Sustainable Development Goal 5.4 seeks to value unpaid care and domestic work, promote shared responsibilities within households, and provide essential services and social protection. Yet, women and girls worldwide shoulder a disproportionate share of care work that is unpaid, unrecognized, and undervalued.

Unpacking the care society: Caring for people and the planet

How climate change intensifies the care crisis for women

Environmental degradation and the global climate emergency are intensifying the global care crisis. People with fewer resources, including Indigenous women, ethnic minorities, those living with disabilities and with HIV, women of African descent, and LGBTIQ+ persons in developing and Small Island Developing States can be hit especially hard by these compounding crises. Women and girls already spend on average three times more on care work than men and boys. Climate change further amplifies women’s and girls’ unequal load of unpaid care and household chores.

Women bear the brunt of water scarcity

Women and girls, especially those living in rural areas, who are responsible for managing resources and running households, are particularly vulnerable to climate shocks. Women and girls bear the brunt of providing drinking, cooking, and sanitation water for their families. Some 1.8 billion people worldwide rely on drinking water from supplies that are off premises and women and girls are responsible for collecting water in seven out of ten households without water on premises.

Climate change is having a significant impact on water resources worldwide. Droughts are becoming more frequent and severe, while rainfall patterns are becoming increasingly unpredictable. Ten per cent of the world’s female population, some 380 million women and girls, live in areas facing high or critical water stress, a figure that is expected to reach 647 million by 2050.

During droughts, women and girls stand in long queues and walk long distances to collect water for their families. In Iraq, women spend up to three hours a day collecting water. In India, women and girls spend more than 50 minutes a day collecting water compared to men and boys’ four minutes.

climate care nexus thumbnail 2
Chandra Kala Thapa, a smallholder farmer from Ranichuri village in Nepal’s Sindhuli district. Photo: UN Women/Narendra Shrestha.

Droughts deepen food insecurity for women

Women also face greater food insecurity than men. When there is food scarcity, it is common for men and boys to be fed first with women eating last and least. Droughts force many women and girls into subsistence farming and activities which increases their workloads as they grapple to secure sufficient food provisions for their families.

Climate shocks increase unpaid health care work for women and girls

A rise in diseases linked to the climate crisis is disproportionately impacting the care-load for women and girls. A study in Delhi, India, and Dhaka, Bangladesh, showed that women spent on average an additional hour per day on care work when a member of their family had a climate-related illness, such as a water-borne disease from torrential rains.

Pregnant women face an increased risk of complications, including pregnancy loss, linked to drought and food scarcity.

Women: Unpaid “sustainability saviours”

Historically, women and girls have shouldered climate mitigation activities such as waste management, reforestation, and land rehabilitation. As climate crises continue to swell, the burden of environmental care has spiked further gender inequalities, and the number of hours women and girls spend on caring for the planet.

Women are at the forefront of climate justice and sustainability efforts, in part because access to a safe, clean, healthy, and sustainable environment is a matter of life and death for their families. Many women engage in climate action because they consider it essential to fulfill their role as the primary caretakers of their communities.

Despite the key role of women in tackling the impacts of climate change, women environmental human rights defenders are facing an uptick in gender-based violence and femicides. In 2022, at least 401 human rights defenders were killed, most in Latin America, and 17 per cent were women. Women also face resistance within their indigenous communities who accuse them of wasting time on activism and face defamation, threats and physical attacks.

What is a care society?

The world is facing two seemingly distinct yet deeply intertwined crises, whose links are often overlooked in climate discussions.

The first crisis centers around the unnoticed and unequal distribution of unpaid care work, primarily borne by women and girls. The second is the looming climate emergency, characterized by rising temperatures and the urgent need to reduce greenhouse gas emissions. While these crises may appear unrelated, they are inextricably linked, demanding our collective attention and action.

Remarkably, just 11 per cent of Nationally Determined Contributions—the measures and actions that parties of the Paris Agreement plan to adopt to reduce greenhouse gas emissions—mention the unpaid care work of women and girls, and only Cambodia’s include actions to reduce their workloads.

The sixty-sixth Commission on the Status of Women has sounded the alarm warning that “natural resources and ecosystems and women’s labour are treated as infinite and are undervalued in the current metrics of economic growth, such as GDP, despite being essential to all economies and the well-being of present and future generations and the planet”.

Within this complex snapshot, the concept of a care society emerges as a pressing alternative to the current economic and development model based on the extraction and exploitation of natural resources, fossil fuels, and human lives. It emphasizes the crucial role of both caring for people and the planet. Recognizing the irreplaceable value of care is essential, as is addressing the unequal care burden that women and girls currently bear, and increasingly so amid the climate emergency. The provision of care should be a shared responsibility involving the state, markets, communities, and families.

লাগামহীন বাণিজ্যিক নলকূপ, পানি বিপর্যয়ে বরেন্দ্র জনপদ

কোনো ধরনের জরিপ না করেই বাণিজ্যিকভাবে গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপনের প্রতিযোগিতা চলছে নওগাঁর বরেন্দ্র মাঠগুলোতে। এতে ভূঅভ্যন্তর থেকে অতিরিক্ত পানি উত্তোলনে দ্রুত নেমে যাচ্ছে পানির স্তর। অপরিকল্পিতভাবে পানি তোলায় বরেন্দ্র জনপদে গত এক দশকে অন্তত ১৫ ফুট নিচে নেমে গেছে পানির স্তর। পরিবেশবিদরা বলছেন, লাগামহীনভাবে পানি তোলা বন্ধ না হলে সামনের দিনগুলোতে দেখা দেবে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

লাগামহীনভাবে পানি তোলা বন্ধ না হলে সামনের দিনগুলোতে দেখা দেবে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

কোনো ধরনের জরিপ না করেই বাণিজ্যিকভাবে গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপনের প্রতিযোগিতা চলছে নওগাঁর বরেন্দ্র মাঠগুলোতে। ছবি: সময় সংবাদ

কোনো ধরনের জরিপ না করেই বাণিজ্যিকভাবে গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপনের প্রতিযোগিতা চলছে নওগাঁর বরেন্দ্র মাঠগুলোতে। ছবি: সময় সংবাদ
এম আর রকি

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জমি চাষাবাদ শুরু হয় নওগাঁর বরেন্দ্র জনপদে। গভীর ও অগভীর নলকূপ দিয়ে এ সময় শুরু হয় মাটির তলদেশ থেকে পানি তোলা। জমি সেচের নামে বাণিজ্যিকভাবে মাঠে দেয়া হয় অগভীর নলকূপের সংযোগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নীতিমালার তোয়াক্কা না করে গভীর নলকূপের পাশেই বসানো হয়েছে একাধিক সেচ-মেশিন। এসব মেশিন দিয়ে ভূঅভ্যন্তর থেকে দিনরাত পানি তোলার কাজে চলছে অসম প্রতিযোগিতা।

প্রতি মৌসুমে ভূগর্ভের পানি কি পরিমাণ ব্যবহার করা হয় এর কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। তবে মৌসুম এলে নতুন নতুন গভীর এবং অগভীর নলকূপ স্থাপন করার ফলে মাত্রাতিরিক্ত পানির ব্যবহার বেড়ে যায়, ফলে বরেন্দ্র জনপদে সুদূর প্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কথা বলছেন পরিবেশবিদরা।

অপরিকল্পিত পানি ব্যবহারে নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকায় প্রতি বছর আনুপাতিক হারে ভূগর্ভস্থ পানি নিচে নেমে যাওয়ার সমীক্ষা তুলে ধরা হয় এক কর্মশালায়। জানানো হয় আগামী দিনের উদ্বেগের কথা।

নওগাঁ সরকারি কলেজ ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমদের আগামী দিনের জন্য এখনই চিন্তা করে এগুনো দরকার।’

নওগাঁ জনস্বাস্থ্য অধিদফতর নির্বাহী প্রকৌশল মো. মাহমুদুল আলম শাহীন বলেন, ‘প্রতি বছর পানির স্তর নেমে যাচ্ছে শুধু অপরিকল্পিতভাবে পানি ব্যবহারে। অনিয়ন্ত্রিত সেচ পাম্প বসানোর কারণে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ সময়ে বরেন্দ্র এলাকায় দেখা দেয় তীব্র পানি সংকট।’

সেচ বাণিজ্যের নামে একাধিক নলকূপ স্থাপনের অসাধু এ কারবার বন্ধের দাবিতে সম্প্রতি মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীরা বরেন্দ্রের ও বিদ্যুৎ বিভাগের সেচ বাণিজ্য বন্ধ চান। তারা বলেন, কিছু টাকা নিয়ে যেখানে সেখানে সেচ পাম্প বসানোর ফলে মৌসুমের আগেই শুকিয়ে যাচ্ছে এলাকার ডোবানালা। পরে টিউবওয়েল বসিয়ে আর পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

২০১২ সাল থেকে গভীর নলকূপ স্থাপন বন্ধ থাকায় অগভীর নলকূপ স্থাপনের প্রবণতা বেড়েছে। নিয়ম-নীতি না মানলে আগামীতে এ অঞ্চলে পানির সংকট প্রকট হবে বলে মনে করছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নির্বাহী প্রকৌশল মো. মতিউর রহমান।
জেলায় প্রায় দুই লাখ হেক্টর জমি চাষাবাদে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ৪০ হাজার ৫০টি গভীর নলকূপ এবং পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৬৫ হাজার অগভীর নলকূপ দিয়ে তোলা হচ্ছে পানি।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভূগর্ভের পানি জরিপে গত ৪ বছরে বরেন্দ্র এলাকায় পানির স্তর নেমে যাওয়ার গড় চিত্র:

ডিসেম্বর ২০২০ পানির স্তর ছিল ৪৮.২ ইঞ্চি
ডিসেম্বর ২০২১ পানি স্তর ছিল ৫০.৮ ইঞ্চি
ডিসেম্বর ২০২২ পানি স্তর ৫৩.৫ ইঞ্চি
ডিসেম্বর ২০২৩ পানি স্তর ৫৯.৪ ইঞ্চি

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দুস্থ পরিবারে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংক ও ফিল্টার বিতরণ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। আর এই ঝুঁকি অন্য অঞ্চলের চেয়ে উপকূলে বেশি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেশি প্রভাব পড়েছে কৃষি, স্বাস্থ্য ও পানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এখানে ভূপৃষ্ঠের নিচের পানি লবণাক্ত হওয়ায় এবং পুকুরের পানি দূষিত হওয়ায় পানির সংকট কাটিয়ে ওঠা দুরূহ। পানি সংকট সমাধানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলো চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিসিডিবির স্টেপ অ্যান্ড বিল্ড-ইন প্রকল্প বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের ৩০টি দুস্থ পরিবারে পানির ট্যাংক ও ফিল্টার বিতরণ করা হয়।

৩ মার্চ সকাল সাড়ে এগারোটায় ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে ১৫০০লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ৩০টি পানির ট্যাংক ও ফিল্টার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রজেক্ট ম্যনেজার এসএম মনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আব্দুল হালিম, ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল, স্বপন বিশ্বাস, মাছুরা পারভিন, সুপারভাইজার এন্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার আবুল হাসেম মিয়া, ফিল্ড অর্গানাইজারগণ প্রমূখ।

শ্যামনগরের বনবিবিতলা হয়ে উঠেছে কৃষিগ্রাম

উপকূলের লবণাক্ততা মোকাবিলা

বিলাল হোসেন, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ এএম

নব্বই দশকে যেখানে আবাদ হতো ধানসহ বিভিন্ন শাক-সবজি, সেখানে ২০০৭ সালের পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে অধিকাংশ কৃষক শুরু করেন লবণ পানির মাছ চাষ। আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে এ লবণাক্ততাকে জয় করে পুনরায় সেই হারিয়ে যাওয়া কৃষি সম্পদকে ফিরিয়ে এনেছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চুনা নদীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বনবিবিতলার কিষান-কৃষানিরা, যা এখন ‘কৃষিগ্রাম’ নামেই পরিচিত।

বনবিবিতলার উৎপাদিত সবজি, মাছ-মাংস, ধান-গম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয়ে থাকে। এক সময় এ গ্রামে হাতেগোনা কয়েক জন কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে ৭০% পরিবারই কৃষির সঙ্গে যুক্ত। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ গ্রামের ২১৫ হেক্টর জমির মধ্যে নব্বই দশকে কৃষিতে ব্যবহার হতো ১৯০ হেক্টর, যা আইলার পর ৫০ হেক্টরে নেমে আসে। লবণাক্তের কারণে বাকি জমিতে লবণ পানির মাছ চাষ হতো। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদের ফলে ২০১৭ সালের পরে থেকে এ গ্রামের কৃষি চাষে জমির পরিমাণ বেড়ে ১৫০ হেক্টর হয়েছে। পাশাপাশি ৪০ হেক্টরে চাষ হয় মিঠা পানির মাছ।

কৃষক মনোরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, আইলার পর লবণের কারণে অনেকেই কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। আমি কোনোভাবে টিকিয়ে রেখেছিলাম। ৫ বছর আগে যে জমিতে ১ মণ সবজি হতো, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই জমিতে ২ মণের অধিক সবজি উৎপাদন হচ্ছে। এ ছাড়া বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি আমাদের প্রতি মাসে প্রশিক্ষণ ও উন্নতমানের সার-বীজ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। অধিক ফলন উৎপাদনের কারণে এখন সবাই কৃষিতে ঝুঁকছেন।

সৌমিত্রা মণ্ডল জানান, ৫/৬ বছর আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে খুব ভাল ফসল হচ্ছে। এখানে মিঠা পানির খুবই সংকট। পানির ব্যবস্থা করা গেলে আরও ভালো ফসল উৎপাদন হতো। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মহাতাব সরদার বলেন, বনবিবিতলার অধিকাংশ পরিবারই কৃষির সঙ্গে জড়িত। এটি এখন কৃষিগ্রাম নামে পরিচিত হয়ে গেছে।

সিসিডিবির সুজন বিশ্বাস বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ধান ও সবজি বীজ প্রদানসহ টাওয়ার, বস্তা, মালচিং পদ্ধতিতে লবণাক্ত এলাকায় সবজি আবাদে সহায়তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সুপেয় পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাংকি, সেচের জন্য মিঠা পানি সংরক্ষণে ছোট ছোট পুকুর খনন করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কৃষিতে ঝুঁকছেন এখানকার মানুষ।

শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, বনবিবিতলার কৃষকরা লবণাক্ততা মোকাবিলা করে কৃষি কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকি। বনবিবিতলা এখন কৃষিগ্রাম নামে পরিচিত।

বরেন্দ্র অঞ্চলের ৪০ ভাগ এলাকা ‘পানি সংকটাপন্ন’: গবেষণা


কয়েক দশক ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে দেশের বরেন্দ্র অঞ্চলের ৪০ শতাংশেরও বেশি ইউনিয়নে পানিশূন্যতা তৈরি হয়েছে। ফলে এসব এলাকায় খাবার ও সেচের পানির মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে।

ওয়াটার রিসোর্স প্ল্যানিং অর্গানাইজেশনের (ওয়ারপো) পক্ষ থেকে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং পানি সংকটাপন্ন অঞ্চলগুলোর পরিধি প্রসারিত হচ্ছে।

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলাজুড়ে ‘উঁচু বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠ ও ভূগর্ভস্থ পানি পরিস্থিতির হাইড্রোলজিক্যাল অনুসন্ধান ও মডেলিং’ শীর্ষক গবেষণাটি ২০১৮ সালে শুরু হয় এবং জুন মাসে ওয়ারপো কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

১৯৯০, ২০০০, ২০১০ ও ২০২১ সালে বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির স্তর

সরকার ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) যৌথ অর্থায়নে আগস্ট মাসের প্রথমদিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন, ওয়ারপোর মহাপরিচালক রেজাউল মাকসুদ জাহেদী।

এই জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য, গবেষণাটিতে পানি সংকটাপন্ন এলাকাগুলোতে সংকটের তীব্রতা অনুযায়ী বিকল্প হিসেব ভূপৃষ্ঠের পানির উৎস্য ব্যবহার এবং ভূগর্ভস্থ এবং ভূপৃষ্ঠের পানির সম্মিলিত ব্যবহার উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এর হটস্পট হিসেবে বিবেচিত উচ্চ বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসম্পদ সংরক্ষণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন গবেষণা পর্যালোচনার সঙ্গে জড়িত অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান।

তিনি বলেন, ‘বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের জীবন পানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ক্ষয়িষ্ণু পানিসম্পদগুলো দ্রুত পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা জরুরি।’

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৫ ও ১৯৯০ সালে এ অঞ্চলের গড় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ছিল ৮ মিটার। তবে তখনই গোমস্তাপুর ও তানোর উপজেলার অল্প কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ স্তর ছিল ২১ মিটার।

খাবার পানি, সেচ, মাছ চাষ এবং শিল্পের মতো বিভিন্ন কাজে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে, ২০১০ সালের মধ্যে ভূগর্ভস্থ পানির গড় স্তর ১৫ মিটার ছাড়িয়ে যায়।

২০২১ সালের মধ্যে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গড়ে ১৮ মিটারে বৃদ্ধি পায় এবং কিছু কিছু এলাকা যেমন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে একটি স্থানে সর্বোচ্চ ৪৬.৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়।

উল্লেখ্য, গড় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বৃদ্ধি বলতে ভূগর্ভস্থ পানির হ্রাসকে নির্দেশ করে।

গবেষনায় আরও উল্লেখ আছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস পাওয়ার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনেরও অবদান আছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কম বৃষ্টিপাত, খরা ও ভূগর্ভস্থ পানি বাষ্পীভূত হওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেছে।

পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ

গবেষণায় ভূগর্ভস্থ পানির বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলাধার যাকে অ্যাকুফার বলা হয়, সেখানে বালিকণার ফাঁকে ফাঁকে পানি জমে থাকে। ভূপৃষ্ঠের পানি ও বৃষ্টিপাত মাটির মধ্য দিয়ে অ্যাকুফারে প্রবাহিত হয়। অ্যাকুফারগুলোতে বর্ষা মৌসুমে যে পরিমাণ পানি জমা হয় তা রিচার্জ হিসেবে ধরা হয়। গবেষণায় অ্যাকুফারগুলোতে পানির প্রকৃত রিচার্জ এবং সেখান থেকে কতটুকু পানি উত্তোলন নিরাপদ তা নির্ণয় করা হয়েছে এবং তাকে পানির নিরাপদ ফলন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ভূগর্ভস্ত পানির প্রকৃত রিচার্জ ও পানির নিরাপদ ফলন মূল্যায়ন করে গবেষণায় ২৫টি উপজেলায় পানির সংকট পরিস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে। পানি সংকট বলতে শুস্ক মৌসুমে ব্যবহারযোগ্য পানি প্রাপ্যতার তুলনায় পানির চাহিদা বেড়ে যাওয়া বোঝানো হয়েছে। ভূগর্ভস্থ পানি হ্রাসের কারণে এই সংকট তৈরি হয়।

দেখা গেছে, এই অঞ্চলের মোট ২১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, অর্থাৎ কমপক্ষে ৮৭টি ইউনিয়নকে ‘অতি উচ্চ’ ও ‘উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পানি সংকটাপন্ন এই ইউনিয়নগুলোতে অপর্যাপ্ত অ্যাকুফার রিচার্জের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আগের বর্ষা থেকে পরের বর্ষায় হ্রাস পায়। অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে পোরশা উপজেলার ৬ ইউনিয়নের সবগুলো এবং নাচোল উপজেলা ৪ ইউনিয়নের সবগুলো। যেখানে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে।

এ ছাড়া গোদাগাড়ী, তানোর, গোমস্তাপুর, নিয়ামতপুর, সাপাহারসহ ৯টি উপজেলার ৩৭টি ইউনিয়নও অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

আলোচ্য ৩ জেলার ৪০টি ইউনিয়নকে ‘উচ্চ পানি সংকটাপন্ন’ ও ৬৫টি ইউনিয়নকে ‘মাঝারি পানি সংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় পানিসম্পদ যথেষ্ট সংকটের মধ্যে রয়েছে।

কিছুটা ইতিবাচক দিক থেকে এই অঞ্চলে ২৮টি ইউনিয়ন ‘কম পানি সংকটাপন্ন’ ও ৩৪টি ‘খুব কম কম পানি সংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে এসব এলাকায় পানি সংকট এখনো গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

অ্যাকুইফার জোন

গবেষণায় দেখা গেছে, এই অঞ্চলটি প্রধানত একক বা দ্বৈত অ্যাকুইফার বিশিষ্ট্য। এ অঞ্চলের বাইরের এলাকাগুলোতে একাধিক অ্যাকুইফার রয়েছে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, পোরশা ও সাপাহার উপজেলার তেঁতুলিয়া, চাওর ও গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নে ৪৪৫ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করে কোনো অ্যাকুইফার পাওয়া যায়নি।

তানোরের বাধাইর ইউনিয়ন, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কিছু অংশ এবং গোমস্তাপুর উপজেলায় ৪২৬ মিটার গভীরে ৬ থেকে ১৬ মিটার পুরুত্বের একটি মাত্র পাতলা অ্যাকুইফার আছে, যা এই এলাকাগুলোর একমাত্র পানির উৎস হিসেবে কাজ করে।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ভূগর্ভস্থ পানির নমুনায় বাইকার্বোনেট, আয়রন এবং ম্যাঙ্গানিজ দূষণ অনুমোদিত মানের চেয়ে বেশি মাত্রায় দেখা গেছে, আর্সেনিক দূষণ শুধু রানিহাটি ইউনিয়নে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সংকট সমাধানের প্রস্তাবনা

এই সমস্যাগুলো অবিলম্বে সমাধানের জন্য গবেষণায় ভূপৃষ্ঠের পানির জলাধার খননের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যমান নদী, বিল এবং পুকুর পুনঃখননের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিবেদনে পানির সংকটাপন্ন এলাকায় পানি-নিবিড় বোরো ফসলের বিকল্প হিসেবে কম পানি ব্যবহার করা হয় এমন ফসলের চাষ উৎসাহিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

পরিশেষে, গবেষণাতে এই অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ জলাধার পুনরায় পূরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির কৃত্রিম রিচার্জ বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


Cold-hit people get blankets in Naogaon


Blankets were distributed among 30 cold-hit poor people in Porsha Upazila of the district Naogaon on Sunday by the Christian Commission For Development in Bangladesh (CCDB).
CCDB organized the distribution programme on No. 3 Chhaor Union Parishad (UP) complex premises in the upazila.
Porsha Upazila Coordinator of the organization Steve Roy Rupon presided over the programme financed by Bred for the World Germany, an international aid agency.
Chhaor UP Chairman Mostafizur Rahman attended the programme as the chief guest.

UP secretary, ward members, deputy assistant agricultural officer and CCDB activists, among others, were also present at the programme

Climate Justice Alliance helds a press briefing titled ‘The 28th Conference of the Parties: Expectations vs Achievements’ at the National Press Club’


Climate justice activists held a press briefing on 20th December, 2023 titled ‘The 28th Conference of the Parties: Expectations vs Achievements’ at the National Press Club’.
The event was moderated by Md Shamsuddoha, Chief Executive of the Center for Participatory Research and Development (CPRD).
CPRD chief executive Md Shamsuddoha said that they claimed a proper definition and acknowledgement of climate finance and wanted to set it on a need, emergency and obligatory basis, but a fund was formulated under COP which would be regulated by the World Bank for first 4 years.
He urged the countries to enhance efforts of phasing down unabated coal-based electricity generation and transition away of fossil fuels, but no specific timeline, however, was set to meet these targets.
Juliet Keya Malakar, executive director of the Christian Commission for Development in Bangladesh (CCDB), said that this COP bore the legacy of previous COP events that significantly lacked remarkable changes and actions required for the climate-vulnerable community.
She also emphasized ensuring accountability within our country’s mechanism to confirm that climate funds are used optimally for the climate victims.
Climate Justice Alliance, a platform of 30 organisations and development partners.
The press briefing was also attended by prominent figures, including Khodeja Sultana Lopa, Professor Ahmed Kamruzzaman Mazumder, Molla Amzad Hossain, Syed Aminul Haque, and Nikhi Vadra.

Session on Loss and Damage- Lesson from the ground, what future loss and must consider at COP 28


“Loss and Damage- Lesson from the ground, what future loss and must consider.”
The event was hosted by Act Alliance in #COP28 on the 5th of December.
The event was moderated by Mattias Soderberg.
The event was also joined by distinguished panelists, Sabine Minninger, Thomas Hirsch, Juliate Keya Malakar, Md. Foezullah Talukder and others.

CCDB Mourns the Sad Demise of Dr Saleemul Huq


In the quiet stillness that follows, we mourn the loss of a true beacon of hope. Dr. Saleemul Huq, a tireless champion for our fragile planet and a eminent climate expert, has left us, leaving a void that can never be filled. His dedication to the cause of preserving our environment and the right of climate vulnerable communities were a shining example to us all.

As we reflect on Dr. Saleemul Huq’s legacy, we are reminded of the countless lives he touched, the battles he fought, and the passion he brought to every endeavor. His words ignited flames of awareness, their actions inspired change, and their unwavering belief in a better, more sustainable world gave us all reason to press on.

It is a cruel irony that a soul so committed to healing the Earth should be absent from it. We are left with aching hearts and a profound sense of loss as we lost a mentor in Bangladesh’s fight against Climate Change.

In our collective grief, the Christian Commission for Development in Bangladesh (CCDB) honors Dr Saleemul Huq’s memory by carrying his torch forward. CCDB acknowledges and is grateful for the role played by Dr Saleemul Huq as a friend and a member of the advisory body of the CCDB Climate Centre.

May Dr. Saleemul Huq’s soul find solace in the knowledge that his life’s work touched the hearts of many and that his indomitable spirit will forever guide us towards a greener, more sustainable future.

Our deepest condolences to the family of the departed.

With Regards,

Juliate Keya Malakar

Executive Director, CCDB

🌍 Observing the International Day for Disaster Reduction: Building Resilient Communities 🌍


CCDB observed the International Day for Disaster Reduction in its working areas. In a world where natural and man-made disasters continue to challenge communities worldwide, this day holds a special significance.

Various activities were held throughout the day in the Coastal Region of Barguna, Bagerhat, Satkhira, and Drought Region Naogaon. While observing this day, Rallies and field exercises with different firefighting techniques were arranged. CCDB also organized Painting and Quiz competitions at the School levels. 

Along with the Upazila administration CCDB, the Patharghata Office jointly observed the International Disaster Mitigation Day 2023 with Rally, discussion forum and Firefighting exercises.

Mr. Md. Roknuzzaman Khan, UNO of Patharghata presided over the discussion forum and Mr. Mostafa Golam Kabir, Patharghata Upazila Parishad Chairman was present at the forum as the chief guest. Besides that, Mr Md. Bellal Hossain, Charlathimara CCRC President, Mr Subrata Mistry, Upazila Coordinator, CCDB  Patharghata Office and other officials of various upazila government departments, CCRC representatives, youth representatives of CCRC, students and social representatives were present among others.

Aside from this, as a part of the celebration of this day, a painting and quiz competition was organized by Charlathimara CCRC and in collaboration with CCDB PCRCB project as part of awareness raising at school level. At the end of the competition, prizes were distributed to the winners and saplings were distributed as part of disaster awareness among all the participants.

A rally and discussion meeting was organized by the upazila administration at the Porsha Upazila Parishad premises of Naogaon district with the slogan “Fight against inequality, build a disaster-tolerant future”.

After the rally, fire service and civil defense Porsche team leader Moazzem Hossain conducted a field exercise with various fire fighting techniques. Meanwhile, the beneficiary members of the CCDB organization, students of various educational institutions, local common people witnessed the public exercise and voluntarily participated in fire fighting.

Salma Akhtar, Upazila Nirbahi Officer (UNO) of Posrsha, spoke in the discussion meeting after the exercise, she expressed her thanks and gratitude to Fire Service and Civil Defense Porsha Team, Ministry of Disaster Management and Relief and CCDB organization for successfully implementing the program. Assistant Commissioner (Land) Moniruzzaman, Project Implementation Officer Dostdar Hossain, Public Health Officer Al Amin along with various levels of CCDB officials were present in the event.

On the occasion of International Disaster Mitigation Day 2023, CCDB-Step and Build-in and PCRCB project of CCDB, CCRC Burigoalini Union Parishad and FCCP-3 of Caritas Khulna region organized various activities.

On the occasion of the said event, a colourful procession, discussion forum and painting competition were held at the school level.

In the discussion, the Chairman of Burigoalini Union Nazrul Islam said “Bangladesh is a role model in dealing with disasters, we have to be aware and be careful to deal with disasters as well as work in disaster mitigation”. At this time panel chairman Md. Abdur Rauf gave a speech about the importance and significance of the day.

Project Manager of CCDB-Step and Build-in Project SM Monowar Hossain, Upazila Coordinator of CCDB-PCRCB Project Sujan Biswas, Field Officer of FCCP-3 Project of Caritas Khulna Region Mr. Shiplu Mondal were also present in the discussion forum.

Besides this, colorful procession and discussion forum on the theme was held at Gainbari in Gabura Union by CCDB. Chairman of No. 9 Burigoalini Union, Shyamnagar, Satkhira awarded prizes to the winners of painting and swimming competition. Chairman of the Union expressed his gratitude and thanks to CCDB, CCRC, Caritas NGOs for their cooperation in celebrating International Disaster Reduction Day.

Meanwhile, in Shyamnagar Upazila, after a colourful procession, and a discussion forum was held under the chairmanship of Upazila Executive Officer (UNO) Ms. Salma Akhtar , Member of Parliament of Satkhira Mr. SM Jaglul Haider,  and Chairman of Shyamnagar Upazila Parishad Mr. SM Ataul Haque Dolan,  were present respectively as the Cheif Guest and Special Guest.